Workshop on Robotics Project Management

We are doing robotics project management workshop right now.

Advertisements
Categories: Robotics & Electronics | 1 Comment

মোবাইল দিয়ে পড়াশোনাঃ Read pdf

বর্তমান বিশ্বে যেসব নতুন আবিষ্কার অতি দ্রুত শহর-বন্দর ও গ্রাম-গঞ্জের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে তন্মধ্যে মোবাইল ফোন একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। মোবাইল নেয় এমন তরুণ তরুণী হয়তো এখন আর দেশে খুজেঁ পাওয়াই কঠিন। সবার হাতে হাতে রয়েছে মোবাইল। …একটা সময় এমন ছিল যখন মোবাইল ফোন ছিল শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম  অর্থাৎ মোবাইল ফোন ছিল মূলত ফোন করা বা এসএমএস এর জন্য । তারপর সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে আমাদের জীবন যাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মোবাইল ফোন যেন আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আর কেনই বা কাছের বন্ধু হবে না বলুন – মোবাইল ফোন যদি আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের করে – মুহূর্তের মধ্যে যে কোন স্থানে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করে দেয়, ও প্রিয়জনের সাথে ফেসবুক এর মত এপ্লিকেশন ব্যবহার করার সুযোগ দেয় বা বলে দেয় আজকের আবহাওয়া কেমন যাবে, বা আপনার শেয়ারের বর্তমান রেট কত যাচ্ছে কিংবা হুমায়ুন আহমেদের বই ডাউনলোড করে পড়ার সুযোগ দেয় । আর এ জন্য একে আমি বলি  “হাতের মুঠোয় ছোট্ট বিশ্ব” ।বর্তমান এই যুগে  আমাদের সার্বক্ষণিক ও একমাত্র সঙ্গী বা পারসোনাল ডিজিটাল এ্যসিস্টেন্স (পিডিএ) হচ্ছে মোবাইল । আর এর সহজ ব্যবহার, ইন্টারনেট সুবিধা ও সহজ বহনযোগ্যতার জন্য দিন দিন মোবাইল  বা স্মার্টফোনের  প্রতি মানুষের আকর্ষণ যেভাবে বাড়ছে…! তাতে বলা যায়, আমাদের  ডেক্সটপ ও ল্যাপটপের দিন শেষ …………! :cry: :lol:

আর তাই এই প্রিয় মোবাইল নামক বন্ধুটিকে আপনার শিক্ষা জীবনের অন্যতম বন্ধুতে রূপান্তরিত করতে আমি চেষ্টা করব…।এজন্য মোবাইল কে পরিণত করতে শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হিসাবে…।কারন সবসময় তো কম্পিউটার বগলদাবা করে ঘুরে বেড়ানো যায় না, তাই সব জায়গায় ই-বুক পড়াও যায় না। মনে করেন আপনি ট্রেনে করে সিলেট বা ঢাকা  যাচ্ছেন, এখন আপনি ই-বুক পড়ার মত কম্পিউটার পাবেন কই?এছাড়া দীর্ঘ কোনো লেখা কম্পিউটারে পড়তে বিরক্ত লাগে…তা ছাড়া কারেন্টও থাকেনা সব সময়।

সেটা কেবল সম্ভব হবে মোবাইল দিয়ে………যদি আমাদের প্রয়োজনীয় সকল বই ( বিশেষ করে বাংলা বই) পড়া যায়।এছাড়া এই মোবাইলের  ভেতর আস্ত আস্ত বই রেখে দিতে পারবেন। যারা বই পড়তে ভালোবাসে তারা যখন ফোন আসে না তখন মোবাইল খুলে বই পড়তে পারবেন।

আমার মনে হয় প্রায় সবাই এই ব্যাপারটা জানে… কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার কেউ করে নাই…

যেসব কারণে আপনি মোবাইলে বই পড়েন নাইঃ

১)-কারন আমারা ইন্টারনেট থেকে যেই বই গুলো পাই সেগুলো ইংলিশ , বাংলা তে ইবুক এর সংখ্যা অতি নগণ্য ।

২)-অবশ্য এখন অনেক গুলো বাংলা ইবুক আস্তে আস্তে পাবলিশ হচ্ছে কিন্তু সমস্যা হল সেগুলো ইউনিকোড টেক্সট ফরম্যাটে নাà  স্ক্যান করা

৩)-অথবা বিজয়  টেক্সটে লেখা যা মোবাইল মোটেও পরা সম্ভব না।

৪)-আর অন্য যেগুলো  পড়া যায় সেগুলো আবার ডানে বামে করতে করতে বিরক্ত হয়ে আর পড়ার আগ্রহ থাকে না।

 

আর এই জন্য আমি মোবাইল ভার্শনে আনেক গুলো প্রয়োজনীয়  সব  বাংলা ই-বুক আপনাদের জন্য তৈরি করেছি …… যা দেখতে অবিকল বই-এর মতোই, কিন্তু কাগজের বদলে থকবে আপনার মোবাইল স্ক্রীন।

যেসব কারণে আপনি মোবাইলে এই বই গুলো পড়বেনঃ

ইউনিকোড বাংলা টেক্সটে……যা সব মোবাইল রিড়ারে দেখা যাবে,

আর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এই বই গুলো  মোবাইল  স্ক্রীন সাইজে………!

তাই ডানে বামে করা লাগবে না…!

আর মেমোরি সাইজ ও কম তাই হ্যাং করবে না…।

Categories: Miscellaneous | Leave a comment

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থা সম্পকে আমার ব্যক্তিগত মতামত

খেলা নিয়ে বেশি কিছু বলব না। কারণ স্কুল পালিয়ে অনেক খেলা দেখলেও কলেজ লাইফ থেকে জীবনটা কেমন জানি যান্ত্রিক হয়ে গেছে। তেমন একটা খেলা দেখা হয়ে ওঠেনি। তবুও আজ না বলে আর পারছি না।

টিম সিলেকশন নিয়ে অনেক কিছুই বলার আছে । তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হল তামিম ছাড়া ওপেনার এর ভাল অপশন হতে পারত শাহরিয়ার নাফিস কারণ তামিমের চেয়ে নাফিসের ফর্ম ভাল।
কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরছি,

তামিমের এভারেজ 29.55
নাফিজের এভারেজ 31.44

তামিম 137 ম্যাচে 4 সেন্ঞ্চুরি , 27 হাফ সেন্ঞ্চুরি
নাফিজ 75 ম্যাচে 4 সেন্ঞ্চুরি , 13 হাফ সেন্ঞ্চুরি
আরো বিস্তারিত দেখতে চাইলে
তামিমঃ http://www.espncricinfo.com/bangladesh/content/player/56194.html
নাফিসঃ http://www.espncricinfo.com/bangladesh/content/player/56153.html

বর্তমানে বাংলাদেশ দলের অবস্থা খুবই খারাপ। হ্যা আপনি ঠিকই পড়েছেন খুবই খারাপ এমনকি পাকিস্থানের চেয়েও খারাপ প্রমাণ স্বরূপ ৯ ফেব্রুয়ারীর খেলার কথাই ধরা যাক, বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছে ৩ উইকেটে হারে Worm up ম্যাচে কারণ কি ?
দশ জন ব্যাটসম্যানের মধ্যে ৭ জনের স্কোর দুই অংঙ্কের ঘর ছুতে পারেনি।

বিস্তারিতঃ  http://www.espncricinfo.com/bangladesh/engine/match/806123.html

১২ তারিখ বাংলাদেশ আবারও হারে কার কাছে জানেন ?
Ireland এর কাছে।
বিস্তারিতঃ http://www.espncricinfo.com/bangladesh/engine/match/806139.html
দশ জন ব্যাটসম্যানের মধ্যে ৬ জনের স্কোর দুই অংঙ্কের ঘর ছুতে পারেনি। সব মিলিয়ে রান করেছিল ১৮৯।

আমি বলছি না আমি খেলা অনেক ভাল বুঝি। হয়তো অনেক ক্রিকেট বোদ্ধা আছে যারা সারাদিন ক্রিকেট নিয়ে পড়ে থাকে সো তারা অনেক বেশি খোজ খবর রাখে। তবে বাংলাদেশ দলের কাছে আমি ব্যক্তিগত ভাবে অন্তত এই বিশ্বকাপে আমি আর ভাল কিছু আশা করি না। তারপরও দেখি বাংলাদেশ কি করে। সেই আশায় বসে আছি ৫ তারিখের খেলা দেখার জন্য।

পরিশেষে এইটা বলেই নিজেকে শান্তনা দিই যে,
হারছে তো কি হইছে ?
জয়-পরাজয়ে বাংলাদেশের সাথেই আছি।
জিতলেও বাংলাদেশ, হারলেও
বাংলাদেশ

Categories: Miscellaneous | Leave a comment

রূপার আবেগহীন হিমু

আজ সকাল থেকে কেন জানি খুব রূপার কথা মনে পড়ছে..সাদা একটি পৃষ্ঠায় কালির কলম দিয়ে গোটা গোটা করে চিঠি লিখতে মন চাইছে ..
রূপা,
কেমন আছো?
আশা করি ভালো আছো। তবে শীতে তোমার শরীর খারাপ যাই এইটা আমি জানি | আমি কেমন
আছি তা তুমি খুব ভালো করেই জানো.তাই বললাম না …
পর সমাচার এই যে, আজকে তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছিলো…আরে আজব এই সব আমি কি ভাবছে কতদিন ধরে মাথায় খালি রূপা নাম ঘুরছে……. না আজ বের হতে হবে বাইরে আজ মাথায় কিছু অন্য মেমোরি ঢুকাতে হবে…..
তার কারন আজ হরতাল আর এই দিনে অনেক কিছু দেখা যাই শেখা যাই তাই আজ সকালে বের হয়েছি হাটতে কিন্তুু চারিদিকে হরতাল বিরোধী মিছিল আর পুলিশ আবার কিছু জায়গায় দেখলাম হরতাল পালন করছে গুটি কয়েক মানুষ ..তারা কয়েকটি জর্দার ডিব্বা রাস্তায় জোরে মেরে শব্দ করে ধোঁয়া ছড়িয়ে আতংক সৃষ্টি করে হরতাল পালন করছে……. আমি তাই এইদিকে না গিয়ে জিয়া উদ্যানের দিকে গেলাম দেখি সেখানে কিসের হরতাল আর কিসের ককটেল আর পেট্রোল বোম এইখানে তো প্রেম আর প্রেম …তাদের কোন চিন্তা নেই রাস্তায় কি হচ্ছে তাদের এখন স্বপ্ন ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা হাত রেখে চোখে চোখ রেখে গভীর প্রেমে মত্ত…..
আমি এই সব দেখতে দেখতে দুপুর হয়ে গেছে তাই পেটে ক্ষুধায় মোচড় দিতে লাগলো তখন মনে পড়লো তোমার কথা একটু গেলে তোমার বাড়ি অনেক দিন তোমাকে দেখা হয়না আর ক্ষুধা ও লাগছে তাই যেই চিন্তা করলাম হাটা ধরলাম । হরতাল থাকুক হরতালের
মত, আমি থাকি আমার মত। কিন্তুু কিছুক্ষণ হাঁটার
পরেই পরলাম পুলিশের খপ্পরে।

আপনার নাম কি ?
-হিমালয়
কি ?? !! কি লয় ?? -হিমালয়
এটা কোন নাম হল ?? আপনে করেন কি ?
-হাঁটি আর মহামানব হবার চেষ্টা করি…
আর আপনার জুতা কই খালি পায়ে কেন? নিশ্চয়ই হরতাল পালন করতে বের হয়েছে তাই আমাদের কারো দৌড়ানি খেয়ে জুতা রেখে পালিয়েছে ..
আসলে আপনি যেমন ভাবছেন তেমন না আমি জুতায় পরি না আমার বাবার নিষেধ আছে….
এই ব্যাটার কথা বার্তা
সন্দেহজনক….!!
কনস্টেবল … এই
ওরে চেক করো! ! কনস্টেবল কিছুক্ষণ হাতাহাতি করে বলল… স্যার ওনার তো পকেট ই নাই ! কি চেক করবো??

গাড়িতে ওঠা !
আমি বললাম… স্যার, আমার লিফট লাগবে না।
আমি হেঁটেই যেতে পারবো। আমার বান্ধুবীর বাসায় দুপুরে খাবারের দাওয়াত আছে। এই চুপ কর গাড়িতে উঠ…. তারপর
কনস্টেবল আপনার নাম কি হিমু?? আমি বললাম হ্যাঁ ডাক নাম হিমু..আপনার বান্ধবীর নাম রূপা?? আমি বললাম হুম কেন আপনি চেনেন? আরে হিমু ভাই আমি জমির ঐ যে একদিন আমাকে রাতে বলেছিলেন তোমার মেয়ে সুস্থ হয়ে যাবে আমি বাসায় গিয়ে দেখি সত্যি সুস্থ হয়ে গেছে..আপনাকে অনেক খুজেঁ ছিলাম কিভাবে আমার মেয়ে সুস্থ হয়ে গেলো এইটা জানার জন্য আর আপনাকে ধন্যবাদ দেবার জন্য…..
আমি বললাম আচ্ছা তাহলে এখন মিতা সুস্থ আছে? জি ভাইজান সুস্থ আছে দাড়ান হিমু ভাই আমি আপনাকে ছেড়ে দেবার ব্যাবস্থা করছি….
স্যার ওনারে ছাইড়া দেন। উনি ভালো মানুষ আমি ওনারে চিনি ওনি এইসব লাইনের না ওনি মহামানব লাইনের …!
অফিসার মুখ কাচুমাচু করে বলল… চলুন
আপনাকে পৌঁছে দিয়ে আসি।
আপনি কোনদিকে যাবেন??
আমি বিস্মিত হয়ে বললাম…আমি মিরপুর যাবো জি…চলুন। অফিসার আমাকে রূপার বাসার
সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। এতক্ষন
সে একটাও কথা বলেন নি। অফিসার কে বললাম আপনি চিন্তা করবেন না আপনার ওয়াইফ সুস্থ হবে এবং সে আবার হাটতে পারবে আপনি তাকে ভালো ডাক্তার দেখান আর সময় দেন…আসি ভালো থাকবেন আর ধন্যবাদ পৌঁছে দেবার জন্য….
আমি এখন রূপার বাসার সামনে দাড়িয়ে আছি আর বারান্দার দিকে তাকিয়ে আছি । রূপা বারান্দায় তার ইজি চেয়ারে বসে কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনছে আর আকাশ দেখছ। আমি এইটুকু দেখেই
চলে আসলাম । ভালোবাসার খুব কাছাকাছি যেতে নেই। তাহলে মায়ায় জড়িয়ে পড়তে হয়…. আর হিমুরা কারো মায়াতে কোনদিন জড়ায় না…তারা আবেগহীন মায়াবিহীন…….

Categories: Miscellaneous | Leave a comment

ব্যক্তিগতভাবে শুধু তুমি আর আমি !!

একদিন হুড তোলা রিকশায় পাশাপাশি বসে আমরাও খুব ব্যাক্তিগত হবো।রাস্তার পাশে রাখা ফুলের টবের দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দাড়িয়ে যাব। কোন ফুলের গাছটা আমাদের ভবিষ্যৎ সংসারের বারান্দায় জায়গা নেবে, তাই নিয়ে তর্ক হবে। ফার্নিচারের দোকান গুলো স্বপ্ন দেখাবে সাজানো কোন ঘরের। দুটো বারগার কিংবা চায়ের কাপ মুখোমুখি বসে শুনবে আমাদের কথা। লুকিয়ে চুমু খাবার বিব্রততায় আমরা হেসে ফেলবো। এই শহরে পাশাপাশি হাত ধরে বসে থাকার অধিকারটুকু নিশ্চিত করার জন্য বসে পরবো কোন এক রাস্তার পাশে। তখন হয়তো তুমি বলবে, চলো ফুচকা খাই। আমার খাওয়ার চেয়ে তোমার ফুচকা খাওয়া দেখতেই বরং বেশী ভাল লাগবে। যা বলা হয়নি কাওকেই, এমন কোন কথা বলবো আমরা। কিংবা খুব সাধারণ কোন কথাই হয়তো অসাধারণ হয়ে উঠবে। একটা গোপণ কালো তিলের আবিষ্কার, কিংবা খোলা চুলের ঘ্রাণ,অভিমান, চোখের কাজল,কপালের টিপ,চুড়ি ভর্তি হাত,নীল শাড়ির আঁচল দিয়ে কপালের ঘাম মুছে দেওয়া একটা ব্যাক্তিগত সন্ধ্যা একদিন আমারও হবে।।

Categories: Miscellaneous | 1 Comment

Create a free website or blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: